পাঞ্জাবী মোড় সংলগ্ন একটি বেসরকারি কারখানায় গত মাসের ৩০শে জুন কর্মরত অবস্থায় কুড়ান গড়াই নামে এক শ্রমিকের দুর্ঘটনা ঘটে। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ ওই আহত শ্রমিককে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে কারখানায় রেখে দেয় বলে অভিযোগ উঠে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তার ছেলে আহত ঘটনাস্থল থেকে আহত বাবাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। আহত শ্রমিকের চিকৎসার জন্য মাত্র ৫০০টাকা ছাড়া অন্য কোনো সাহায্য বা খবর নেইনি কারখানা কর্তৃপক্ষ। গত কাল ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। আজ সকাল থেকে মৃতদেহ কারখানার রেখে ক্ষতিপুরন ও চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে মৃত শ্রমিক জেকে নগরের বাসিন্দা ছিল।
মৃত শ্রমিকের ছেলে সৌরভ গরাই জানান, পাঞ্জাবী মোড় সংলগ্ন মাইনিং ইন্ডাট্রি নামক কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেত। গত মাসের ৩০শে জুন কারখানায় কাজ করার সময় উপর থেকে ভারি প্লাই পড়ে যায় বাবার কাধে। গুরুত্বর আহত হয় বাবা। কারখানা কর্তৃপক্ষ বাবাকে হাসপাতাল না নিয়ে গিয়ে এখানেই ফেলে রেখে আমাদের খবর দেয়। কারখানা কর্তৃপক্ষ আমাকে বলেন চিকিতসার জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাও। এবং চিকিৎসার জন্য মাত্র ৫০০ টাকা দেয়। সৌরভ বলেন বারার ব্যাথা বেশী থাকায় রানীগঞ্জের পাঞ্জাবী মোড়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। সেখানাই বাবার অস্ত্রপচার হয়। বাবাকে বাড়িতে নিয়ে আসি। গতকাল রাতে বাবার শরীরের অবস্থা খারাপ হওয়ায় আবার হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় তার মৃত্যু হয়।
এর পরেই আজ পরিবারের সদস্যদের সাথে এলাকার মানুষ ক্ষতিপুরনের দাবিতে মৃতদেহ কারখানায় নিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখায়। তারা ৫ লাখ টাকা ও একটি চাকরির দাবি জানায়। তারা জানায় একমাত্র কুড়ান বাবুর আয়ে পরিবার চলত। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পাঞ্জাবী মোড় ফাঁড়ির পুলিশ ও বোরো চেয়ারম্যান মজামিল শাহাজাদা কাউন্সিলার জ্যোতি সিং। কারখানা আধিকারিকের সাথে কথা বলে ক্ষতিপুরনের আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভ তুলে নেয় তারা।
PREV
সিঙ্গারন নদীর জলের তলায় ইকড়া শ্মশান কালি মন্দিরের কয়েকটি মন্দির