খনিতে দিন দিন অতিমাত্রায় ব্লাস্টিংএর জেরে বাড়ির দেওয়ালে যেমন ফাটল দেখা দিচ্ছে পাশাপাশি ঘরে থাকা জিনিসপত্রও পড়ে যাচ্ছে। ছেলে মেয়েদের সাথে প্রানের ঝুঁকি নিয়ে থাকতে হচ্ছে বাড়িতে।দীর্ঘদিন থেকে খনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনো সমাধান না হওয়ায় আজ খনির ব্লাস্টিং বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি কোলিয়ারির জিএম কে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা।ঘটনাটি ইসিএলের কেন্দা এরিয়ার কেন্দা খোলামুখি খনির ঘটনা। বিক্ষোভ দেখায় কেন্দা পঞ্চায়েতের শালাডাঙা গ্রামের আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে,কেন্দা খোলামুখ খনির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে শালডাঙা আদিবাসী পাড়া ও শালডাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিক্ষোভকারিরা জানায় গত ১০ দিন থেকে ব্লাস্টিংএর মাত্রা এতটায় বেড়েছে যে বাড়িতে থাকার উপায় নেয়। ঘরের দেওয়াল ফাটার পাশাপাশি ঘরে থাকা জিনিসপত্রও পড়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে এই বুঝি বাড়ি ভেঙে পড়বে। তারা জানায় আগে ব্লাস্টিংএর একটা নির্দিষ্ট সময় ছিল, কিন্তু এখন দিনে যখন ইচ্ছে তখন ব্লাস্টিং করছে।তাও আবার অতিমাত্রায়। বিক্ষোভকারিরা জানায় এই বিষয়ে আমরা বহুবার ইসিলেরর গেস্ট হাউসে আধিকারিকদের সাথে আলোচনা করেছি।কিন্তু কোনো কিছুই হয়নি।দিনদিন আমাদের সমস্যা বেড়েয় চলেছে। কোলিয়ারী কর্তৃপক্ষ শুধু কয়লা তুলতেই ব্যস্থা। তারা জানায় আমাদের প্রথমে পুর্ণবাসন দিতে হবে,তারপরে যত ইচ্ছা কয়লা তুলে চাই তুলুক।কিন্তু পুর্ণবাসন না দিলে খনির কাজ বন্ধ থাকবে।বিক্ষোভকারিরা জানায় যদি পুনর্বাসন না দেওয়া হয় তাহলে তাদেরকেও ব্লাস্টিং করে উড়িয়ে দেওয়া হোক।এই বিষয়ে কোলিয়ার জিএম এর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।
PREV
৫ দফা দাবিকে সামনে রেখে রানীগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরে স্মারক লিপি তুলে দিল বামেরা।