‘বসন পরো মা’ অনুষ্ঠানে ৩ হাজার মহিলাদের হাতে তুলে দিলো নতুন বস্ত্র

স্পষ্ট বার্তা, জামুরিয়া ১৬ অক্টোবর :-

প্রতি বছরের মতো এই বছরও মহালয়ার দিনে এলাকার মহিলাদের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হলো। জামুড়িয়া বিধানসভার শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের খোট্টাডিহি গ্রামে বসন পরো মা অনুষ্ঠানে আনুমানিক ৩০০০ মায়েদের হাতে আজ দিনে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়।
এই দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অভিজিৎ ঘটক, গুরুদাস চ্যাটার্জী, নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, অনুভা চক্রবর্তী, পুতুল ব্যানার্জী, লতিফা কাজী, হরেরাম সিং, সুব্রত অধিকারী, চন্দন শরাফ, সুব্রত অধিকারী, সিদ্ধার্থ রানা, দিনেশ চক্রবর্তী, অসিত মণ্ডল, নিতাই মণ্ডল, লাল্টু কাজী, অনিমেষ ব্যানার্জী, জগন্নাথ শেঠ, জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইন্দিরা বাদাকর সন্দীপ সিনহা, আলক দাস, পান্ডবেশ্বর এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজার, পান্ডবেশ্বর ট্রাফিক গার্ডের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এ আর খান, এছাড়াও আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।

ডেপুটি মেয়র তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার তৃনমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি অভিজিৎ ঘটক জানান, যেহেতু বাঙালীর বড় উৎসব দুর্গাপুজা তাই এই সময় সবাই নুতন জামা কাপড় কেনার জন্য ব্যাস্ত সেই সময় শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অসিত মন্ডল এলাকার মায়েদের হাতে নুতন বস্ত্র তুলে দেওয়ার জন্য বসন পরো মা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছেন শুধু আজ নয় প্রত্যেক বছরের মতো শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অসিত মন্ডল যেভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে এবং মায়েদের হাতে বস্ত্র তুলে দিচ্ছেন তার জন্য তিনি অসিত মন্ডলকে কৃতজ্ঞতার সাথে ধন্যবাদ জানান।৷ জামুড়িয়া বিধায়ক হরেরাম সিং জানান, আজকের এই বসন পরো মা অনুষ্ঠানে মায়েদের হাতে নুতন বস্ত্র তুলে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়ে করে আসছেন তার জন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান। ব্লক ২ এর তৃনমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অসিত মন্ডল জানান, মহালয়ার দিন মা দুর্গার আগমনের দিন তাই ২০১৩ সাল থেকে তারা এই বসন পরো মা অনুষ্ঠান করে আসছেন। তিনি জানান ২০১৩ সালে যখন এই অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন তখন কম পরিমাণ বস্ত্র বিতরণ করতে করতে আজ বসন পরো মা অনুষ্ঠান এতো বড় আকার ধারন করাবে সেটা তারা ভাবতে পারেননি এই সব কিছুই এই মায়েদের আশীর্বাদ , মা দুর্গার আশীর্বাদ। তিনি ধন্যবাদ জানান এই অনুষ্ঠানে যারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন।

About The Author

You might be interested in

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *