পান্ডবেশ্বর বিধানসভায় অনুষ্ঠিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী এবং পুরনো তৃণমূল কংগ্রেস সক্রিয়কর্মীদের সম্মান জ্ঞাপন ।
বিগত সোমবার থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান। ১১অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর অবধি রাজ্যের প্রতিটি জেলার সব ব্লকে অন্তত একটি করে বিজয়া সম্মেলনীর সভা হবে।রাজ্যজুড়ে ৫০০ বেশি সভা হবে।আজ পান্ডবেশ্বর বিধানসভার হরিপুর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এবং লাউদোহায় সৃষ্টি কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত হল বিজয়া সম্মিলনী। এ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যস্তরের প্রবক্তা সুপ্রিয় চন্দ,পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ,ব্লক সভাপতি কিরীটী মুখার্জি,যুব সভাপতি নরোত্তম মণ্ডল সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।বিজয়া সম্মিলনীতে স্বাভাবিকভাবেই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখের পাশাপাশি এই সভাতে বাংলার উন্নয়ন,কেন্দ্রের অবিচার, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলার উচ্চমানের জীবনযাপন , কেন্দ্রের বাংলার প্রতি আর্থিক বৈষম্য সহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতার মাধ্যমে উঠে আসে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মূলত এই সভাগুলো এক প্রকার মহড়ার কাজ করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।বহু বছর ধরেই পুজোর পর বিজয়া সম্মিলনী করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস ।তবে এবার বিজয়া সম্মিলনীর গুরুত্ব আলাদা ,বছর ঘুরতেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন । দলের শীর্ষ নেতৃত্ব চাইছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সব স্তরের নেতাকর্মীরা যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে যান এবং তাদের সাথে কথা বলুন। এবং মানুষ সরকারি পরিষেবার ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না ? সেটা মানুষের সাথে কথা বলুন ।উক্ত সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন,তৃণমূল কংগ্রেসে বিজয়া সম্মেলনী একটা আবেগের মেলবন্ধন।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো দিনের কর্মী এবং সাধারণ সক্রিয় কর্মীদের সম্মান জানানো হবে ।এছাড়াও তিনি বলেন সাধারণ মানুষের সাথে জনসংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে এই বিজয়া সম্মিলনীর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
PREV
পান্ডবেশ্বরে খোলামুখ খনির উদ্বোধন করলেন ইসিএলের ডিটি এবং স্থানীয় বিধায়ক