শনিবার জামুড়িয়া থানার কুয়া মোড় এলাকার একটি কাঠ চেরাই কারখানায় আর্তকিত হানা বনদপ্তরের। আভিযোগ অনুমোদন না থাকার পরেও রমরমিয়ে চলছিল কাঠ চেরাই কলের ব্যবসা। এই খবর পেয়েই জামুড়িয়া থানার পুলিশ সাথে নিয়ে ওই কাঠ চেরাই অভিযান চালায় বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে জামুড়িয়ার কুয়ামোড় সংলগ্ন কাঠ চেরাই কারখানায় যে মেশিন দিয়ে কাঠ চেরাই করা হয় তার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। এই কারখানায় ছোট মেশিনের অনুমোদন আছে। বড় মেশিনটি বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন থেকে ব্যবহার করছিল তাই এই মেশিনটি সিল করে বন দপ্তর।
বনদপ্তরের আধিকারিক সুমন্ত দাস জানান, সূত্রে খবর পেয়ে জামুড়িয়ার কুয়ামোড় সংলগ্ন এলাকায় একটি কাঠ চেরাই কলে অভিযান চালায়। প্রথম দফায় অভিযান চালানো হয় শুক্রবার রাতে। পরে ওই কারখানাতে শনিবার সকালে জামুড়িয়ার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে ফের অভিযান চালানো হয়। কাঠ চেরাই কলটিতে যে বড় মেশিন ব্যবহার করে সেই মেশিনটি বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন থেকে ব্যবহার করছিল বলে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এখানে একটি ছোট মেশিন ব্যবহারের অনুমোদন থাকলেও বড় মেশিনের কোন অনুমোদন নেই। তাই বড় মেশিনটি সিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে কাঠ কলের মালিক রাজেশ ভান্ডারীর বলেন, তিনি সব নিয়ম মেনেই দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কাঠ চেরায় কলটি চালাচ্ছেন। তার কাঠ মিল থেকে যেসব কাঠ মিলেছে সেই সব কাঠ তিনি স্থানীয়দের কাছ থেকেই কিনেছিলেন।তবে এই মেশিন ব্যবহার করা বিষয়টি নিয়ে কল মালিক বলেন, বড় মেশিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার সঠিক নিয়ম জানা ছিল না। তবে তার কাঠ চেরাই কলের বিভিন্ন কাগজপত্র অনুমোদন তার রয়েছে।