শুক্রবার রাত্রে জামুড়িয়া থানার ইসিএলের কেন্দা এরিয়ার কেন্দা তিন নম্বর ধাওড়া পাড়ায় সংলগ্ন এলাকায় বিশাল ধস। ধসের মুখ থেকে বের হচ্ছে কালো ধোঁয়া। আতঙ্কে রয়েছে ধাওড়া পাড়া কয়েকশ মানুষ। গতকাল রাত ১টা নাগাদ বিশাল শব্দে ধ্বস নামে কেন্দা তিন নম্বর ধাড়াপাড়ার এলাকার সংলগ্ন এলাকায়। এই ধসের মুখ দিয়ে বের হচ্ছে কালো ধোঁয়া। যেখানে ধস হয়েছে সেখান থেকে প্রায় ৩০মিটারের মধ্যে রয়েছে ঘনবসতি। এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় মানুষের মধ্যে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ইসিলের আধিকারিকেরা, ইএসিএলের নিরাপত্তারক্ষীদের পাশাপাশি কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা জবা বাউরী জানান এর আগেও এই এলাকায় একই ভাবেই ধ্বসে গিয়ে ধ্বসের মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছিল। সেই সময় ইসিএল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধ্বস কবলিত এলাকার বাসিন্দাদের বিভিন্ন স্কুলে ও সরকারি আবাসনে অস্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেও স্থায়ী কোন ব্যবস্থা করেনি। ১৮ দিন পরে পুনরায় তাদের এখানে আসতে বাধ্য হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায় প্রতি বছরই বর্ষার সময় এই ধ্বসের ঘটনা ঘটে। প্রতিবারেই ইসিএলের লোকজন, পুলিশ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোক এসে পুনর্বাসনের কথা বলে যায়। কিন্তু এখন কোন ভাবেই আমাদের পুনর্বাসন দেওয়া হল না। তাদের মুখ থেকে শোনা যায় বিজয় নগর মোড়ে সারকারি ভাবে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে পুনর্বাসনের জন্য বিল্ডিং করা হয়েছে। সেই বিল্ডিং এলাকার ধ্বস কবলিত মানুষদের দেওয়ার কথা কিন্তু কাউকে দেয়নি। রক্ষনাবেক্ষনের অবভাবে সেই বিল্ডিং প্রায় ধংশের মুখে। তারা জানায় এই ধ্বস কবলিত এলাকার মানুষজনেরা দিন আনে দিন খায়, এই অবস্থায় তারা কোথায় যাবে, কি করবে।তা নিয়ে দুশ্চিন্তাই কাটছে দিন। তবে সূত্রে জানা গেছে ইসিএল কয়লা উত্তোলন করার পর ওই অংশে ভরাট না করায় বারবার এই ঘটনা ঘটছে। এবং এও জানা গিয়েছে ধ্বসের পাসে যে বস্তি রয়েছে তা ইসিএলের জায়গায় দখল করে রয়েছে। তাই তাদের পুনর্বাসনের কথাও কেউ ভাবে না। এই বিষয়ে ইসিএল আধিকারিকের কাছে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
PREV
কাঠ চেরাই কারখানায় বন দপ্তরের আর্তকিত হানা, সিল করে দেওয়া হল কারখানার কাঠ চেরাই মেশিন