
মেয়র পদ অক্ষত রইল বিধান উপাধ্যায়ের, ব্যাপক ব্যবধানে জয় ৬নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার নির্বাচনে
স্পষ্ট বার্তা, জামুড়িয়া ২৪ আগষ্টঃ-
গত ২১শে আগষ্ট আসানসোল পুরনিগমের ৬ নং ওয়ার্ডে উপনির্বাচন হয়েছিলো। বুধবার সকাল আটটার সময় শুরু হয় আসানসোলের মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে এই গণনা হয়। সপ্তম রাউন্ডে অর্থাৎ ভোট শেষে আসানসোল পুরনিগমের ৬ নং ওয়ার্ডের উপনির্বাচনে জয়ী হলেন আসানসোল পুরনিগমের মেয়র পদে থাকা বিধান উপাধ্যায়। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিপিএমের শুভাশীষ মন্ডলকে ৫৪৭৭টি ভোটের ব্যবধানে রেখে জয়ী হলেন বিধান উপাধ্যায়। এর পরেই বুধবার সকাল থেকে আসানসোল আদালত চত্বরে দলের পতাকা নিয়ে সবুজ আবীর মেখে উচ্ছ্বাসে মাতলেন তৃনমুল কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা। সকাল নটার মধ্যে ভোট গণনা শেষ হয়। এর পরেই বিধান উপাধ্যায়কে ঘিরে চলে উচ্ছাস।
আসানসোল পুরনিগমের ৬ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১০ হাজার ৬ জন। ভোট পড়ে ৮২.৬৪ শতাংশ। ভোট দিয়েছিলেন ৮৪৫৭। ভোট শেষ হওয়ার পরে ১৪ টি বুথের ইভিএম আসানসোলের মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে যে স্ট্রং রুমে করা হয়েছে, সেখানে রাখা হয়েছিলো। এদিন ঠিক সকাল আটটার সময় চার দলের ইলেকশন এজেন্টদের উপস্থিতিতে স্ট্রং রুম খোলা হয়। তারপর নির্দিষ্ট টেবিলে এনে গণনা শুরু হয়। সপ্তম রাউন্ডে অর্থাৎ ভোট শেষে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী বিধান উপাধ্যায় ভোট পেয়েছেন ৬৬৮৩ । দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সিপিএমের শুভাশীষ মন্ডল ১২০৬ ভোট। বিজেপির শ্রীদীপ চক্রবর্তী ৪৮৫ ও কংগ্রেসের সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন মাত্র ৮৩ টি ভোট।
বিধান উপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, এই জয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়। বাংলার মানুষেরা যে উন্নয়ন ও দিদির সঙ্গে আছেন তা আরো একবার প্রমাণিত হলো। বিজেপি সহ অন্য বিরোধী দলের হেবি ওয়েট নেতা নেত্রীদের প্রচার এনে কোনো কাজেই এলো না। তার প্রমান এই ভোট বলে দিচ্ছে।
সিপিএম প্রার্থী শুভাশীষ মন্ডল বলেন ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে, ভোট লুট করা হয়েছে। সাধারন মানুষ যদি ভোট দিতে পারত তবে অবশ্যই জিততাম। ভোটের যা ক্রেজ ছিল শেষ পর্যন্ত ভোট করাতে পারলে শেষ হাঁসি টা আমরাই হাসতাম।