জামুড়িয়া থানার কেন্দা ফাঁড়ি অন্তর্গত কেন্দা গ্রামে গতকাল রাতে দুটি বাড়িতে তালা ভেঙে চুরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।কেন্দা গ্রামের বাসিন্দা মুকুল কুন্ডু এবং কান্ত কর্মকারের বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে।মুকুল কুণ্ডুর বাড়িতে নগদ দেড় লাখ টাকাসহ লক্ষাধিক টাকার গয়না চুরি হয় এবং কান্ত কর্মকারের বাড়িতে মা মনসা ঠাকুরের প্রায় ১ভরি সোনার গয়না চুরি হয় বলে জানা গিয়েছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে জামুড়িয়া থানা এবং কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ।দুটি ঘটনার তদন্তে নেমেছে জামুড়িয়া থানার কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ।
পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে বুধবার রাত্রে খাওয়া দাওয়া সেরে বাড়ির বাইরের দরজায় তালা লাগিয়ে বাড়ির মুকুল বাবু ও তার স্ত্রী কৃর্ত্তন দেখতে পাশের পাড়ায় যান।বাড়ির দুই ছেলে ও দুই বৌ তারা দোতলায় ঘুমতে চলে যায়। মুকুল বাবু ও তার স্ত্রী কৃর্ত্তন শেষে বাড়ি ফিরে বাইরের দরজার তালা খুলে ভেতরে আসেন।ভিতরে ঢুকে দেখেন বাড়ির ভেতরের দরজার তালা খোলা এবং ভিতর থেকে লাগানো।এর পর তাদের ছেলেদের ডাকাডাকি করেন মুকুল বাবু।ছেলারা বাবার ডাক শুনে বাইরে বেরিয়ে আসতে গেলে দেখতে পান সিঁড়ির দরজা বাইরে থেকে লাগনো।এর পরেই তারা দেখতে পান ঘরের পিছন দিকের দরজা খোলা। ঘরের ভিতরে ঢুকে দেখতে পান পুরো ঘর লন্ডভন্ড হয়ে আছে।আলমারি ভাঙা এবং আলমারিতে থাকা নগদ দেড় লক্ষ টাকা ও প্রায় ২০ভরির মতো থাকা সোনার গহনা চুরি করে নিয়ে পা্লিয়েছে চোরেরে।ঘটনার পরে কেন্দা ফাঁড়িতে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করে।মুকুল বাবুর বড়ো ছেলে তাপস কুন্ডু জানান সামনের মাসে তার ভাইপোর ভুজনো আছে তাই বাবা বেশ কিছু নগদ টাকা ব্যাংক থেকে তুলে এনেছিলেন।ক্যাটারিং দলকে টাকা দেওয়ার ছিলো এবং একটা ভালো গহনা বাচ্চাটার জন্য কেনার ছিলো।কিন্তু চোরেরা সব নিয়ে গেলো।
অন্যদিকে গ্রামের বাসিন্দা কান্ত কর্মকার কর্মসুত্রে স্ব-পরিবারে বাইরে থাকেন। বাড়িতে মা মনসা ঠাকুর থাকায় সপ্তাহে একদিন করে আসেন পুজো দিতে।আজ সকালে এসে দেখেন বাইরের দরজা তালা দেওয়া কিন্তু ভেতরের সব দরজার তালা ভাঙা।বাড়িতে কিছু না থাকায় শুধু মা মনসার প্রায় এক ভরির মতো গহনা নিয়ে চম্পট দেয় চোরেরা।দুটি ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।