
রানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে দেখা করতে আসেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। সবরকম সাহায্যের করার আশ্বাস দেন তিনি
স্পষ্ট বার্তা, রানীগঞ্জ ২১নভেম্বরঃ-
ছট পূজার দিনে রানীগঞ্জের মাড়োয়ারি পট্টি এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার জেরে পুড়ে ছাই যায় বাড়ির সমস্ত কিছু। যার আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতি ৫০ লক্ষেরও বেশী। ঘটনার দু-দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে দেখা করতে আসেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বিজেপির পক্ষ থেকে পরিবারকে সবরকম সাহায্যের করার আশ্বাস দেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।
জানা গিয়েছে গত রবিবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ রানিগঞ্জের মাড়োয়ারি পট্টি এলাকায় কানাইহা সাও এবং হরি সাও নামে দুই লবণ ব্যবসায়ীর বাড়ি ও গুদামে আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসে। রানীগঞ্জের চারটি দমকলের ইঞ্জিন আগুন নিভাতে হিমসিম খেতে হয়। আগুন নিয়ন্ত্রনে আসার আগেই বাড়ির ভিতরে সব কিছু পড়ে ছাই হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। এমনকি আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আসা পাসের বাড়ি বাড়ির লোক জনেরা তাদের বাড়ির জিনিস পত্র অন্যত্বরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছেল গোটা এলাকায়। এই পুরো পরিবারটি পথে এসেছে।
আগুন লাগার ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসেছিলন পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও পাণ্ডেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, রানিগঞ্জ বরো চেয়ারম্যান মুজাম্মিল শাহজাদা, রানিগঞ্জ শহরের সভাপতি রূপেশ যাদব। এবং সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছিলেন। ঘটনার দুদিন পরে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সাথে দেখা করতে আসেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বিজেপির পক্ষ থেকে পরিবারকে সবরকম সাহায্যের করার আশ্বাস দেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।
ব্যবসায়ী কানাইহা সাও বলেন, দুই দিন আগে বাড়িতে ও গুদামে আগুন লাগে যার জেরে তাদের সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দুই ভাইয়ের মিলিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালা পত্র সব পুড়ে গেছে। তিনি জানান আজ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসেছে যে তাদের পরার মতো কাপড়ও নেই। আত্মীয় স্বজন এসে তাদের জন্য কাপড় নিয়ে এসেছে, তখনই তারা পরার জন্য কাপড় পাচ্ছে। তিনি বলেন,তাদের ব্যবসাও পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি অনুমান করছেন উপরের তলায় শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত । তিনি বলেন, পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও পাণ্ডেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, রানিগঞ্জ বরো চেয়ারম্যান মুজাম্মিল শাহজাদা, রানিগঞ্জ শহরের সভাপতি রূপেশ যাদবও এসে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছিলেন, তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সাহায্য পাননি। তিনি বলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি এসে ছিলেন তিনিও সাহায্যের আশ্বাস দিইয়ে গেলেন।
জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, অগ্নিকান্ডের জেরে দুই ভাই প্রায় নিঃস। এই বিষয়ে আমি জেলা শাসকের কাছে আবেদন করব যাতে এই পরিবারকে যথাযথ ভাবে সাহায্য করে। তিনি আরও বলেন এখন রাজনীতি না করে যে কোনো রাজনৈতিক দল হোকনা কে এই দু পরিবারকে সাহায্য করুন। যাতে পরিবারটি বাঁচতে পারে।
এই বিষয়ে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী উজ্জ্বল মণ্ডল জানান ঘটনার তিন দিন পর জিতেন্দ্র তিওয়ারি এখানে এসেছেন খবরের শিরোনাম উঠার জন্য। ঘটনার দিন থেকে আমাদের সিনিয়র নেতারা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে রয়েছেন।