ট্রাকের মধ্যেই চালকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ

স্পষ্ট বার্তা, জামুড়িয়া ২১এপ্রিলঃ-

গন্তব্যস্থলে পৌছানোর আগেই ট্রাকের মধ্যেই ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল ওই গাড়ির চালকের।এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়ায় জামুড়িয়ার চাঁদা মোড় সংলগ্ন ২ নং জাতীয় সড়কের উপর।মৃত ট্রাক চালকের নাম বীরেন্দ্র গুপ্তা বিহারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

সুত্রে জানা গিয়েছে গতকালকে জামুড়িয়ার  রাজ্যশ্রী নামক এক বেসরকারি কারখানা থেকে প্রায় ৩১ টন আকরিক লোহা বোঝাই করে দুর্গাপুরের রামদুত নামক এক কারখানায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু সময় মতো ট্রাকটি কারখানায় না যাওয়াই ট্রাক  ও ট্রান্সপোর্ট এর মালিক গাড়ির চালকের সঙ্গে  ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। চালকের ফোন বন্ধ থাকায় কোনো ভাবে যোগাযোগ না হওয়ায় ট্রান্সপোর্ট এর মালিক ও তার সঙ্গীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে।সারারাত খোঁজার পরে ট্রাকে লাগানো জিপিএসের সুত্র ধরে দুই নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে জামুড়িয়ার চাঁদা এবং বোগড়ার মাঝখানে ট্রাকটিকে খুঁজে পাই।গাড়ির গেট খুলতে  দেখতে পাই গাড়ির ভেতরে  রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে গাড়ির চালক।সঙ্গে সঙ্গেই জামুড়িয়া থানার শ্রীপুর ফাঁড়িতে খবর দিলে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ট্রান্সপোর্টার জিতেন্দ্র সিং জানান গতকালকে জামুড়িয়া রাজ্যশ্রী নামক এক বেসরকারি কারখানা থেকে প্রায় ৩১ টন আয়রন লোড করে দুর্গাপুরের রামদুত নামক এক কারখানায় যাওয়ার উদ্যেশ্যে বের হয়।কিন্তু গাড়িটি নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্য স্থলে না আসায় গাড়ির চালককে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে কিন্তু গাড়ির চালক ফোন ধরেনি । অবশেষে জি পি আর এস ট্র্যাক করে গাড়িটি লোকেশন পাওয়া যায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে চাঁদা ও বোগড়ার মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছে।সেখানে এসেই  গাড়ির গেট খুলতে চালক ভেতরে ছিল তার কান,নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়েছিল এবং গলায় একটা দাগের চিহ্ন দেখা যায়।সঙ্গে সঙ্গে জামুড়িয়া থানার অন্তর্গত শ্রীপুর ফাঁড়িকে জানাই ,পরে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় ।

পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে জামুড়িয়া থানার পুলিশ।

About The Author

You might be interested in

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *