জামুড়িয়া কেন্দা ফুটবল ময়দানে “বসন পরো মা” একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন শুধু পুজা পার্বণ না সুখ দুখঃ সবসময় আমি পাশে আছি এবং থাকবো। তিনি আরো বলেন, লোকসভা উপনির্বাচনে আমাকে যেভাবে আপনারা সমর্থন করেছেন তার জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছি।
তিনি আরো বলেন আপনাদেরই সমর্থনে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে প্রথমবার তৃনমুলের জয় শুধু নয়, এই জয় সারা ভারতবর্ষে রেকর্ড মার্জিনে জয় হিসেবে চর্চিত। তিনি বলেন আসানসোল হচ্ছে ভাইচারার শহর এখানে দুর্গাপুজো, কালিপুজো, ইদ, খ্রিস্টমাস সমস্ত অনুষ্ঠানে সমস্ত জাতি, ধর্ম বর্নের মানুষ একসাথে উৎসব পালন করে। এইরকম ভাইচারা সব জায়গাতে হয়ে গেলে সারা দুনিয়া খুব সুন্দর হয়ে যেত। দুর্গাপুজো বাংলা ও বাঙালির বড় পুজা আজ বিশ্ব দরবারে সমাদৃত। আজ ভারতবর্ষের বাইরেও বিভিন্ন দেশে এই দুর্গোৎসব পালিত হয় মহাধুমধামে। তিনি এই মঞ্চ থেকে কেন্দা তথা আসানসোলবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন শুধু পুজা পার্বণ না সুখ দুখ: সবসময় আমি পাশে আছি এবং থাকবো।
প্রসঙ্গত,জামুড়িয়া বিধানসভার কেন্দা অঞ্চলে কেন্দা ফাঁড়ি ফুটবল ময়দানে জামুড়িয়া ব্লক দুই তৃনমুল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে “বসন পরো মা”নামে এক অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয়েছিলো বৃহস্পতিবার।এই মঞ্চ থেকে জামুড়িয়া ব্লক দুয়ের মোট ৮ টি অঞ্চলের প্রায় ৫০০০ জন মহিলার হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে আসানসোল লোকসভার সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামুড়িয়া বিধানসভার বিধায়ক হরেরাম সিং, জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি রেনুকা বাউরি, তৃনমুলের ব্লক দুয়ের সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা, ব্লক একের সভাপতি সুব্রত অধিকারী, সহসভাপতি দীনেশ চক্রবর্তী, পুতুল ব্যানার্জী, অসিত মন্ডল, লাল্টু কাজী, রামেশ্বর ভকত, উদীপ সিং সহ আরো অনেকেই।
পুজোর ৪দিন অসহায় মানুষদের পাশে থেকে তাদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া কত যে তৃপ্তি তার প্রমান দিলো বিসিডিএর পাণ্ডবেশ্বর ইউনিট ও রানীগঞ্জ জোনের সদস্যরা এবং তাদের বন্ধুরা