প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এত এত অভিযোগ তাও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেনা প্রশাসন, অভিযোগ স্থানীয়দের

স্পষ্ট বার্তা, জামুড়িয়া ২৭ ডিসেম্বর:- 

অভিযোগের তালিকা যেন শেষ হতেই চাইছেনা জামুড়িয়ার চিচুড়িয়া বেলডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামপ্রসাদ মুরুরির বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ের মধ্যে মদ,গুটকা বিড়ি,সিগারেট খাওয়ার অভিযোগতো ছিল বরাবরই, এর পাশাপাশি যুক্ত হয়েছিল বাচ্চাদের পচা মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা।আর গত দুদিন আগেই আবার যোগ হয়েছিলো মিড ডে মিলের চাল চুরির অভিযোগ।আজ অর্থাৎ শুক্রবার আর একটি নতুন অভিযোগ সংযোজন হলো মিড ডে মিলের হিসাবে গরমিল করার।
এত এত অভিযোগ থাকা সত্বেও কোনো হেলদোল নেই চিচুড়িয়া বেলডাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক রামপ্রসাদ মুহুরীর। পাশাপাশি এত কিছু অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ এবং ব্লক প্রশাসন নির্বিকার।তাজ্জব অভিভাবক সহ পুরো গ্রামবাসী।

প্রসঙ্গত,চিচুড়িয়া বেলডাঙ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০২২-২৩ সালে জামুরিয়া দু’নম্বর চক্রে নির্মল বিদ্যালয় হিসাবে ভূষিত হয়েছিল।এক সময় বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পঠন পাঠন নিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে অভিভাবকেরা প্রত্যেকেই ছিল গর্বিত।
কিন্তু ছন্দপতন হয় প্রধান শিক্ষক মহাশয় রামপ্রসাদ মুহুরীর এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পরেই।রামপ্রসাদ মুহুরি বেলডাঙ্গা স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরেই বিদ্যালয়ে মদ বিড়ি সিগারেট খাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয় অভিভাবকেরা।তার বেশ কিছু দিন পরেই অভিযোগ ওঠে বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদিকে পচা মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা করার।গত দুদিন আগেই ২৩ তারিখ ওই বিদ্যালয়েরই চাল চুরির ঘটনার অভিযোগ ওঠে উনার উপর।এই চাল চুরির অভিযোগের পরেই ২৪ তারিখ অর্থাৎ বুধবার এবং আজ ২৬ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার তিনি বিদ্যালয়ে নিয়মিত না আসায় এবং মিড ডে মিলের রুমে তালা বন্ধ থাকার কারণে মিড ডে মিলের রান্না হয়নি।
জানা গেছে,গত বুধবার চিচুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সোমনাথ চক্রবর্তী নিজে টাকা দিয়ে বাচ্চাদের ড্রাই ফুড এর ব্যবস্থা করেন, কিন্তু অবাক করা ঘটনা সেদিনেও নাকি মাস্টারমশাই চুরানব্বই জনের মিড ডে মিলের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন।
কেন এই ভুয়ো রিপোর্টিং বা
কিভাবেই আপার লেবেলে এই ফলস রিপোর্টিং কে এক্সেপ্ট করা হচ্ছে তা জানতে চাই অভিভাবক এবং গ্রামবাসীরা।তারা আরো জানতে চাই যে মাস্টার মশাই এর উপর কার এমন হাত আছে যে প্রশাসন বা উর্ধতন আধিকারিকেরাও তার সব দোষ মেনে নিচ্ছে।

About The Author

You might be interested in

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *