নিঘা থেকে চাঁদা পর্যন্ত ১৯ নং জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডের অবস্থা বেহাল। এই সার্ভিস রোডের উপরে রয়েছে দুটি ইংরাজী মাধ্যমের স্কুল সহ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং অনেক ছোট-বড় কারখানা ও দোকানপাট। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন দুটি স্কুলের প্রায় ৩ হাজা্রের বেশী পড়ুয়ারা আসা যাওয়া করে। নিত্যদিন ঘটে ছোটোখাট দুর্ঘটনা। বারবার স্কুল কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়িরা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কাছে সার্ভিস রোডের মেরামতের কথা জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। মঙ্গলবার নিঘা থেকে চাঁদা পর্্যোন্ত ড্রেন তৈরি করতে আসা জাতীয় সড়কের ঠিকাদারকে সামনে পেয়ে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় স্কুলের পড়ুয়া সহ শিক্ষক শিক্ষিকারা ও ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি অবিলম্বে সড়কের সার্ভিস রোডের মেরামত করা হোক। ঘটনাস্থলে আসে জামুরিয়া শ্রীপুর ফাঁড়ির পুলিশ।
বিক্ষোভ চলাকালিন স্কুলের অধ্যক্ষ অর্চনা চৌবে বলেন, স্কুলে যাওয়ার রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রায়ই তাদের স্কুলে পড়ুয়াদের নামাতে আসা অভিভাবকরা দুর্ঘটনার শিকার হন এবং আহত হন। গত কয়েকদিন আগেও এক অভিভাবক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তার একটি পা ভেঙ্গে গেছে বলে জানান। সার্ভিস রোডের জরাজীর্ণ কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনকে
দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন, যাতে স্কুলের বাচ্চারা সহজেই স্কুলে আসা যাওয়ায় করতে পারে।
সাউথ এন্ড মডেল স্কুলের পরিচালক পরিমল মাঝি জানান, গত ১০ বছর ধরে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে জাতীয় সড়ক ১৯-এর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বহুবার লিখিত ভাবে জানিয়েও কোন সুবিধা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, এই রাস্তা দিয়ে দুই স্কুলের তিন হাজারের বেশি ছাত্র-ছাত্রী আসা-যাওয়া করে। যে কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কার চিন্তা লেগেই থাকে আমাদের। এছাড়াও স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং অনেক ছোট-বড় কারখানা ও দোকানপাট রয়েছে এই সার্ভিস রোডে উপর। প্রতিদিন তাদের নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এই জরাজীর্ণ সার্ভিস রোডটিতে প্রতিদিন বড় বড় লরি যাওয়া আসা করে, যার কারণে রাস্তাটি আরও খারাপ হয়ে পড়েছে। এই রাস্তাটি যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি মেরামত করা হয় তার দাবি জানান তিনি।
PREV
সিংহারন নদী বাঁচানোর জন্যে আমরা বড় আন্দোলনে যেতে রাজি আছি- জীতেন্দ্র তেওয়ারি