ঘুমন্ত অবস্থায় বিছানায় দেখতে পায়নি মেয়েকে। খোঁজাখুঁজি করে শেষে উদ্ধার হয় বাড়ির কুয়োর মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বৈদ্যনাথপুর পঞ্চায়েতের কোন্দা গ্রামের উপর পাড়া এলাকায়। মৃত শিশু কন্যার নাম মিষ্টি গোস্বামী।
জানা গিয়েছে গতকাল রাতে গৃহিণী ঝরনা গোস্বামী তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। তার ছোট ছেলের কান্নার আওয়াজ ঘুম ভেঙে যায় ঝরনা দেবীর। তিনি উঠে গিয়ে দেখে তার পাশে তার মেয়ে নেই। ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বাড়ির জিনিসপত্র। খোঁজাখুঁজি করতে করতে দেখতে পাই তাদেরই কুয়োতে পড়ে আছে মিষ্টি । ঘটনাটি ঘটে আনুমানিক রাত ১০টা বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় বাড়িতে মিষ্টির বাবা বাপি গোস্বামী না থাকলেও তার দাদু ও ঠাকুমা পাশের ঘরের শুয়ে ছিল বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে স্থানীয়রা এবং সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পাণ্ডবেশ্বর থানায় ও রানীগঞ্জ দমকলে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ও দমকল। দমকল কর্মীদের প্রচেষ্টায় উদ্ধার করা হয় মৃতদেহটি। পরিবারের পক্ষ থেকে সন্দেহ করা হয়েছে চোরেরা চুরি করতে এসেই এই শিশু কন্যাকে খুন করেছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকার মানুষ ও প্রশাসনের মধ্যে সন্দেহের দানা বেঁধেছে। তাদের প্রশ্ন যদি চোরেরা চুরি করার উদ্দেশ্যেই এসেছিল তাহলে বাড়ি থেকে কোন জিনিসপত্র খোয়া গেল না কেন? এমনকি বাড়ির সদর দরজাতে ও ছাদের ওপরের দরজাতে তালা বন্ধ করার সত্বেও চোরেরা বাড়িতে ঢুকলো কিভাবে? ভিতর ঘররে দরজা শুয়ার সময় কেনই বা তারা বন্ধ করে নি। তাছাড়াও বিছানা থেকে মেয়েকে নিয়ে চলে গেলে বাড়িতে থাকা মা, দাদু ঠাকুমা কেউ কোনো শব্দ পেলে না? এই নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসন থেকে স্থানীয়দের মনে।
তবে কি শুধু মাত্র চুরির ঘটনা না এর পিছনে অন্য কোন ঘটনা রয়েছে? পুলিশ এই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে।