শনিবার মুকুল ব্যানার্জী স্মৃতি রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে জামুড়িয়া বিধানসভার কেন্দা গ্রামের ফুটবল ময়দানে জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি তথা তৃনমুলের জামুড়িয়া ব্লক দুয়ের প্রাক্তন সভাপতি প্রদীপ ব্যানার্জী ওরফে মুকুল ব্যানার্জীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল । এইদিন এই স্মরণসভার মঞ্চ থেকে এলাকার গুণীজনদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি এলাকার প্রায় ৫০০ জনের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।
এই মঞ্চ থেকে ভি শিবদাসন(দাসু) বলেন মুকুল দা তৃনমুলের অসময়ের সাথী ছিলেন। অনেক লড়াই করেছিলেন তিনি। দিনের পর দিন সিপিএমের গুন্ডাবাহীনির তান্ডবে ঘর ছেড়ে অন্যত্র থাকতে হয়েছে তাকে। এমনকি পার্টি করার জন্য মুকুল ব্যানার্জীর বাস পরিবহনের ব্যাবসা পর্যন্ত করতে দেয়নি । অনেক লড়াই এর পর পার্টির সুদিন আসে। মুকুল ব্যানার্জী ব্লক সভাপতি এমনকি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু শারীরিক সমস্যার জন্য তাকে সব ছেড়ে চলে যেতে হলো। তিনি এই মঞ্চ থেকে সমস্ত দলীয় কর্মীদের নিজের শরীর ও পরিবারের প্রতিও দায়িত্বশীল হতে বলেন। তিনি বলেন শুধুমাত্র আজকের দিনে এসে ভালো কথা বলে বা ফুলমালা দিলেই হবে না। মুকুল দা-কে প্রকৃত সম্মান জানাতে হলে তার আদর্শ ও মতাদর্শকে মেনে চলতে হবে।
এই মঞ্চ থেকে জামুড়িয়া বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন বিপরীত পরিস্থিতিতে মুকুল পার্টির হয়ে অনেক কাজ করেছে। পার্টির কাজ করতে গিয়ে সে নিজের শরীর ও ঘর সবের কথায় ভুলে গেছিলো। আজ তৃনমুল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে কিন্তু আজ মুকুল নেই। আজ মুকুলের থাকা খুবই প্রয়োজন ছিলো কিন্তু বিধাতার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কারো চলেনা। কিন্তু তার জন্য সবাই খুবই শোকাহত।
মুকুল ব্যানার্জী স্মৃতিরক্ষা কমিটির সম্পাদিকা তথা ওনার স্ত্রী পুতুল ব্যানার্জী বলেন সবাই ওনার সম্মানে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছেন তাই প্রত্যেককে ধন্যবাদ।আশা করি আমরা এইভাবেই মুকুল ব্যানার্জীর মতাদর্শ মেনে এগিয়ে চলবো আগামিতে। আজকের স্মরণসভায় তৃনমুলের রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ভি শিবদাসন( দাসু),জামুড়িয়ার বিধায়ক হরেরাম সিং ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি সুভদ্রা বাউরি জেলা কর্মাধ্যক্ষ তাপস চক্রবর্তী,জেলা কর্মাধ্যক্ষা বকুল মন্ডল,তৃনমুলের দুই ব্লকের সভাপতি সুব্রত অধিকারী ও সিদ্ধার্থ রানাসহ আরো অনেকেই।
PREV
দুষ্কৃতিদের গুলিতে মৃত্যু হল এক হোটেল ব্যবসায়ীর, তদন্তে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ