তৃতীয় দফাতেও জামিন হল না অনুব্রত মন্ডলের।ফের ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ আসানসোল আদালতের।
উল্লেখ্য, গোরু পাচার মামলার অভিযোগে সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার হওয়া বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মন্ডল কে বুধবার পুনরায় সকালে আসানসোলে সিবিআই এর বিশেষ আদালতে তোলা হয় ৷ দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী অনুব্রতর জামিনের আবেদন খারিজ করে ফের ১৪দিনের জেলে হেফাজতের নির্দেশ দেন।পরবর্তী ক্ষেত্রে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর আদালতে পেশ করা হবে অনুব্রত মন্ডল কে ৷এদিন অনুব্রতর আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা বলেন, সিবিআই কার্যত আইনজীবী ও বিচারকের প্রশ্নের কোনো উত্তর দিতে পারেনি।একই সাথে গোরু পাচার মামলার সাথে অনুব্রত মণ্ডলের যোগ- সাজোশের কোনো প্রমান দিতে পারেনি।তারা মেনে নিয়েছে,এই ক্ষেত্রে বিএসএফ ও কাস্টমস এর বড় ভূমিকা রয়েছে।তারা প্রথম চার্জশিটেই সে কথা দাবি করেছিল।অথচ ২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই তদন্তে কাস্টমস এর কেও গ্রেফতার হননি।এই প্রশ্নেও নিরুত্তর থেকেছে সিবিআই।একই সাথে অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই এর পক্ষ থেকে বারবার প্রভাবশালী বলে দাবি করে জামিনের আবেদনের বিরোধীতা করা হয় এদিন ৷ সিবিআই এর পক্ষ থেকে বলা হয় অনুব্রত মণ্ডল জামিনে মুক্ত হলে বহু নির্ভর যোগ্য তথ্য প্রমান লোপাট করতে পারেন।এর উত্তরে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী বলেন, সিবিআই এর মত প্রধান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে থাকা তথ্য প্রমান লোপাট করার ক্ষমতা অনুব্রতর নেই।তথ্য প্রমান সবই সিবিআই এর হাতে সুরক্ষিত।তাছাড়া গোরু পাচার মামলায় এখনো পর্যন্ত যারা গ্রেফতার হয়ে জামিনে মুক্ত হয়েছেন,তাদের বিরুদ্ধেও প্রমান লোপাটের বা তথ্য বিকৃতির কোনো অভিযোগ নেই।বর্তমানে অনুব্রত মণ্ডল অসুস্থ অবস্থায় আসানসোল সংশোধনাগারের হাসপাতাল সেলেই আছেন ৷ তিনি অন্য কোথাও স্থানান্তরিত হওয়ার আবেদনও করেননি বলেই জানা গেছে।
PREV
মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে খালি হাতে ফিরলো সিবিআই