বুধবার তৃতীয়বারের জন্য আসানসোলে সিবিআই এর বিশেষ আদালতে তোলা হয় গোরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে।এর আগে ১০ আগষ্ট ও ২০ আগষ্ট অনুব্রতকে আদালতে তোলা হয়েছিল।এদিন সকাল থেকেই অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোলে সিবিআই এর বিশেষ আদালতে তোলার আগে আদালত চত্বরকে বিশাল নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছিল।এরপর বেলা ১টা নাগাদ কলকাতার নিজাম প্যালেস থেকে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে আসানসোল আদালত চত্বরে উপস্থিত হয় সিবিআই এর কনভয় ৷
এদিনের শুনানিতে অনুব্রতর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে সিবিআই এর আইনজীবী তার তীব্র বিরোধীতা করেন।একই সাথে বিচারকের কাছে অনুব্রতর বিরুদ্ধে গোপন জবানবন্দি পেশ করেন।সিবিআই এর আইনজীবী বারবার দাবি করেন,অনুব্রত মণ্ডল তদন্তে কোনো প্রকার সহযোগিতা করছেন না।পাশাপাশি অনুব্রতর আইনজীবী তার মক্কেলের শারীরিক অসুস্থতার কথা তুলে ধরলেও তা খারিজ হয়ে যায়।অন্যদিকে সিবিআই এর আইনজীবী অনুব্রতর প্রভাবশালী তত্ত্ব খাড়া করলে বিরোধীতা করেন অনুব্রতর আইনজীবীরা।তারা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তাদের মক্কেলকে চেনেন বলেই তিনি প্রভাবশালী হয়ে যান না।যদিও সিবিআই এর আইনজীবী এই প্রসঙ্গে বলেন অনুব্রত মণ্ডল খুবই প্রভাবশালী ব্যক্তি।যে কারণে বীরভূম জেলা হাসপাতালের একজন চিকিৎসককে ডেকে নিজের বাড়িতে ইচ্ছেমত নিজের অসুস্থতার রিপোর্ট ও ডাক্তারি নির্দেশ লেখান ৷ এরপরেও অনুব্রতর আইনজীবীরা বিচারকের কাছে যে কোনো শর্তে অনুব্রতর জামিনের আবেদন করেন।তারা এও বলেন যে , প্রয়োজনে অনুব্রত মণ্ডল নিজাম প্যালেসের কাছেই বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকবে ৷ তার নিজের জেলা বীরভূমেও প্রবেশ করবেন না।তবে প্রায় ১ ঘন্টা ধরে উভয় পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে বিচারক শেষ পর্যন্ত অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের আবেদন খারিজ করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন ৷ একই সাথে আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর অনুব্রত মণ্ডলকে পুনরায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়।তবে এই সময়ে আইনজীবীরা তাদের প্রয়োজন মত সংশোধানাগারে উপস্থিত হয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করতে পারবেন।বিচারকের এই নির্দেশের পরেই অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল সংশোধানাগারে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।
PREV
মেয়র পদ অক্ষত রইল বিধান উপাধ্যায়ের, ব্যাপক ব্যবধানে জয় ৬নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার নির্বাচনে